শুক্রবার, ১৯ Jun ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন

News Headline :
ধূমপায়ীদের সরকারি চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি বদলগাছীতে কৃষি অফিসের নীরবতায় থামছে না সার পাচার ডিলারের প্রতিনিধি আটক পাবনা ঈশ্বরদীতে এএসআই সুজাউল হত্যা মামলার পলাতক আসামি অস্ত্র-ইয়াবাসহ গ্রেফতার পাবনায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমকামির সংখ্যা ১ হাজার ৬শ বাড়ছে এইডস বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুষ্টিয়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের নজরকাড়া আনন্দ র‌্যালি পাবনা জেলা পুলিশের আটঘরিয়া থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত। র‌্যাবের অভিযানে ধর্ষণ মামলার ২ আসামী গ্রেফতার তানোরে বিএমডিএ’র উদ্যোগে খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি পাবনা জেলায় চলমান মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেপ্তার পাবনা থানা পুলিশের চেকপোস্ট পরিচালনা

শেষ দেখার ইচ্ছে পূরণ হলো না আব্দুল্লাহর

Reading Time: < 1 minute

শেষ দেখার ইচ্ছে পূরণ হলো না আব্দুল্লাহর

শেখ ইমন,ঝিনাইদহ

আব্দুল্লাহ (৫) প্রতিবন্ধী মায়ের সন্তান। সে জানত না কে তার বাবা। তবে মাকে দেখার শেষ ইচ্ছা ছিল তার। শেষ ইচ্ছাটাও হলো না পূরণ। অতৃপ্তির চিরন্তন বেদনা নিয়েই পরপারে পাড়ি জমালো আব্দুল্লাহ। মাকে আর দেখা হলো না তার। তবে শেষ যাত্রায় সঙ্গী হয়েছেন পালিত মা জোসেদা বেগম। আর ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আব্দুল্লাহর পালিত বাবা আব্দুর রশিদ।

রোববার ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মাঝকান্দি এলাকায় মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তারা। এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। যাদের সবার বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায়।

জানা যায়, নিহত আব্দুল্লাহ জন্মের পর থেকে মহেশপুর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তের ভৈরবা বাজারপাড়ার আব্দুর রশিদের স্ত্রী জোসেদার কাছে বড় হয়ে আসছিল।

ছোট্ট আব্দুল্লাহ সবার কাছে টোকাই নামেই পরিচিত ছিল। ভদ্র সমাজের মানুষরা যেন ঘৃণার চোখে দেখত আব্দুল্লাহকে। তার পরও আব্দুল্লাহর বিচরণ ছিল মহেশপুরের ভৈরবা বাজারের পাশে ঝুপড়ি একটি ঘরে।

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়ার পর আব্দুল্লাহকে ভর্তি করা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পায় সে। এর পর আব্দুল্লাহকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার পথে ফেরিঘাটে আব্দুল্লাহ মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে। বিষয়টি জানায় আব্দুল্লাহর সঙ্গে থাকা সংবাদকর্মী রিজভি ইয়ামিন।

উল্লেখ্য, রোববার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর অংশের মাঝকান্দি নামক স্থানে মাইক্রোবাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন- মাইক্রোচালক বিল্লাল হোসেন (৩০), মরিয়ম (২৫), তার শিশু ছেলে ইয়াছিন (৮ মাস), মা চায়না খাতুন (৬০), দাদি ফাতেমা বেগম (৬৫), ফুফু আমেনা খাতুন (৩৫) ও আমেনার শিশুসন্তান (৭), সামেদুলের ছেলে নজরুল (৫০) কেরামত আলীর ছেলে ঝিনাইদহ জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্বাস আলী (৫৫), আব্দুল্লাহ (৫) নিহত হয়।

ভৈরবা বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, একসঙ্গে এত মানুষ মারা যেতে পারে প্রথমে আমরা বিশ্বাস করছিলাম না। পরে টেলিভিশনে সংবাদ দেখে বিশ্বাস হয়। তাদের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর এলাকা যেন মৃত্যুপুরী মনে হচ্ছে। সবার মধ্যে শোক ছড়িয়ে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com